• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

“স্যার বলেছে গাইড কিনতে”

সিসি নিউজ, ১৩ জানুয়ারী: সবেমাত্র ছুটির ঘন্টা বেজেছে। ছাত্রছাত্রীরা সবাই বের হতে শুরু করেছে। সবার হাতেই কার্ডের মতো কিছু একটা দেখা গেলো।
কার্ডের একপাশে ২০১৮ সালের বর্ষপঞ্জি, অপরপাশে জুপিটার পাবলিকেশনের বিজ্ঞাপন।বিজ্ঞাপনে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর বিভিন্ন গাইড বইয়ের নাম সমূহ দেওয়া হয়েছে।
নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দৃশ্য এটি। সরজমিনে গত ১১ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার ওই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গেলে দৃশ্যটি চোখে পড়ে।
ছাত্রছাত্রীরা জানায়, তাদের এই কার্ডটি স্কুল থেকে দেওয়া হয়েছে। তাদেরকে স্যার বলেছে বাজার থেকে এই গাইড বই কিনতে।
বাজার থেকে অন্য কোন বই না কিনে তাদেরকে শুধুমাত্র এই পাবলিকেশনের গাইড কিনতে বলেছে স্যারেরা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন অভিভাবক জানায়, “এমনিতে হামরা কামলা খাটি কোনরকমে সংসার চালাই। তার উপর ছাওয়ার (সন্তানের) বেলে গাইড কিনি দিবার লাগিবে। এখন হামরা এতো টাকা কোনঠে পামো”।
জানা গেছে, ব্যবসায়ী এবং কিছু অসাধু শিক্ষকদের যোগসাজশে অবাধে চলছে এই নোট-গাইড বইয়ের বাণিজ্য। ব্যবসায়ীরা বানিজ্যের প্রসারে, আর শিক্ষকরা কমিশনের লোভে শিক্ষার্থীদের বাধ্য করছে গাইড বই কিনতে।
শিশুরা হবে সৃজনশীল। প্রকাশ পাবে তাদের সৃজনশীল দক্ষতা। এ লক্ষেই সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় চালু করেছে সৃজনশীল পদ্ধতি।
কিন্তু বাজারের নিষিদ্ধ গাইড বইয়ের দৌরাত্ম্যে শিশুদের হচ্ছে না সৃজনশীল চর্চা। এর ফলে শিশুরা হচ্ছে মুখস্থ নির্ভর, পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষাব্যবস্থা। আর এই ফাকে অসাধু একটি চক্র কামিয়ে নিচ্ছে লক্ষ কোটি টাকা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ